Arnica Mont-আর্নিকা মন্ট
লেওপার্ড বেন জাতীয় গাছড়া (কম্পোজিটা)
সমনামঃ ওলফ বেন (বাঘ মারার বিষ), লিউপার্ডস বেন, পর্বতের তামাক।
মায়াজমঃ সোরিক, সাইকোটিক, সিফিলিটিক।
সাইডঃ ডানপাশ, বামপাশ, ওপরে বাম নিচে ডানপাশ ।
কাতরতাঃ গরমকাতর।
আর্নিকা একটি Polychrest ওষুধ অর্থাৎ এটিকে বহুবিধ রোগের নিরাময়ের জন্য ব্যবহার করা যায়।
নিজস্বকথাঃ
১. বেদনা, আঘাত জনিত বেদনা এবং রোগজনিত বেদনা। যে কোন বেদনা।
২. স্পর্শকাতরতা ও অস্থিরতা।
৩. বিছানা শক্ত মনে হয় কিন্তু অন্যান্য কষ্ট সম্বন্ধে বলে সে ভাল আছে।
৪. সজ্ঞানে প্রলাপ ও আতঙ্ক।
১. বেদনা, আঘাত জনিত বেদনা এবং রোগজনিত বেদনা। যে কোন বেদনা।
২. স্পর্শকাতরতা ও অস্থিরতা।
৩. বিছানা শক্ত মনে হয় কিন্তু অন্যান্য কষ্ট সম্বন্ধে বলে সে ভাল আছে।
৪. সজ্ঞানে প্রলাপ ও আতঙ্ক।
![]() |
| Arnica Mont |
১. আঘাত, পতন, চাপা লেগে থেঁৎলে যাওয়ার জন্য তরুণ বা পুরাতন উপসর্গে সর্বাপেক্ষা উপযোগী।
২. শরীরে চোট লাগার মত কালশিরা পড়ে, আঘাতের দরুন রক্তস্রাব।
৩. সমস্ত শরীরে অত্যন্ত বথা, স্পর্শ-ভীতি, কেহ তাকে স্পর্শ করুক তা চায় না, বিছানা শক্ত মনে হয়।
৪. মস্তক ও মুখমন্ডল গরম কিন্তু শরীরের অন্যান্য অংশ শীতল।
৫. অচৈতন্য অবস্থায় অসাড়ে মল-মূত্র ত্যাগ, কথার জবাব দিতে দিতে পুনরায় তন্দ্রায় আচ্ছণ হয়ে পড়ে।
৬. জরায়ু প্রদেশে চোট লাগার মত বেদনা, রোগী সোজা হয়ে চলতে পারে না।
উপযোগিতাঃ
১. স্নায়ুবিক স্ত্রীলোক, মোটাসোটা রক্তপ্রধান, মুখশ্রী সতেজ ও ভীষণ লালচে আভা মুখমন্ডলে- এমন ব্যক্তির ক্ষেত্রে উপযোগী।
২. মদ খাওয়ার ফলে ও কয়লার ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ হয়ে রোগ হলে- সময়ে সময়ে আর্নিকা সূচীত হয় (এমন-কা, বোভিষ্টা)।
১. যাতে সে শোয় সককিছুই শক্ত বলে মনে হয়; বিছানা শক্ত- সবসময় এই অভিযোগ করে নরম জায়গা পাওয়ার জন্য সে অবিরত এপাশ ওপাশ করে থাকে।
২. দেহের উপর অংশে তাপ ও নীচের দিকে ঠান্ডা। কেবলমাত্র মুখমন্ডল বা মুখ-মাথা গরম বাকী অংশ ঠান্ডা।
ব্যথাবেদনাঃ
১. যে দিকে চেপে শোয় দেহের সেই অংশে ক্ষতবৎ ও থেৎলানো ব্যথা অনুভব করে (ব্যাপ্টি, পাইরো)।
১. স্নায়ুবিক স্ত্রীলোক, মোটাসোটা রক্তপ্রধান, মুখশ্রী সতেজ ও ভীষণ লালচে আভা মুখমন্ডলে- এমন ব্যক্তির ক্ষেত্রে উপযোগী।
২. মদ খাওয়ার ফলে ও কয়লার ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ হয়ে রোগ হলে- সময়ে সময়ে আর্নিকা সূচীত হয় (এমন-কা, বোভিষ্টা)।
মানসিক লক্ষণঃ অসুস্থ অথচ বলে তার কিছু হয় নাই।
অনুভূতিঃ১. যাতে সে শোয় সককিছুই শক্ত বলে মনে হয়; বিছানা শক্ত- সবসময় এই অভিযোগ করে নরম জায়গা পাওয়ার জন্য সে অবিরত এপাশ ওপাশ করে থাকে।
২. দেহের উপর অংশে তাপ ও নীচের দিকে ঠান্ডা। কেবলমাত্র মুখমন্ডল বা মুখ-মাথা গরম বাকী অংশ ঠান্ডা।
ব্যথাবেদনাঃ
১. যে দিকে চেপে শোয় দেহের সেই অংশে ক্ষতবৎ ও থেৎলানো ব্যথা অনুভব করে (ব্যাপ্টি, পাইরো)।
২. উপশম পেতে সর্বদা নড়াচড়া করতে থাকে (রাসটক্স)।
৩. সর্বাঙ্গে ক্ষতবৎ, খোঁড়াদের মত, থেৎলে যাওয়ার মত ব্যথাবেদনা, মনে হয় যেন তাকে পেটানো হয়েছে।
৪. স্নায়ুবিক, ব্যথাবেদনা সহ্য করতে পারে না- সারাদেহ স্পর্শকাতর হয়ে পড়ে (ক্যামো, কফিয়া, ইগ্নে)।
৫. বাত বা গিটেবাত, কেউ কাছে আসলে তার ছোঁয়া বা আঘাত লাগার ভীতি- এ লক্ষণে প্রযোজ্য।
আঘাত জনিতঃ
১. শরীরের কোন যন্ত্র বাহ্যিক আঘাতের কুফলে রোগ- তা যদি বহুদিন আগেও হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে। ২. যাদের সামান্য ছোটখাট আঘাতের অনুভূতি বহুদিন যাবৎ থেকে যায় বিশেষভাবে তাদের ক্ষেত্রে উপযোগী। পেশীতে আঘাত লেগে রোগ হলে উপযোগী।
৩. মাথায় ঝাঁকানি বা হাড়ে কোনভাবে চাপ লেগে, মানসিক আঘাত বা দেহে কোনভাবে আঘাত লেগে, দেহের নরম অংশে বা মাংসপেশীতে আঘাত লেগে তাতে ছিড়ে যায় না- এমন আঘাতে পূঁজ হতে দেয় না অথবা পূঁজরক্ত শুষে নিতে সাহায্য করে।
৪. উঁচুস্থান হতে পড়ে গিয়ে আঘাত, বিশেষতঃ যদি মাথায় ঝাকুনি লেগে অজ্ঞান হয়ে ও অসাড়ে মলমূত্র ত্যাগ করলে প্রযোজ্য।
৫. ভোঁতা কোন কিছুতে আঘাত লাগার পরবর্তী অবস্থায় (সিম্ফাইটাম), হাড় ভেঙ্গে গিয়ে তাতে প্রচুর পুঁজ জমলে (ক্যালেন্ডুলা)।
অচেতভাবঃ কোন কিছু প্রশ্ন করলে সঠিক উত্তর দেয় পরক্ষণেই অচেতন ও প্রলাপভাব ফিরে আসে। (কোন কিছু বলতে বলতে মাঝপথে ঘুমিয়ে পড়ে- ব্যাপ্টি)।
মেনিনজাইটিসঃ স্পাইনাল কর্ড ও ব্রেইন বা মস্তিষ্কের মেব্রেন বা পর্দার প্রদাহ। উঁচু স্থান হতে পড়ে গিয়ে, মাথায় ঝাকি লেগে, ইত্যাদি কারণে মস্তিষ্কের ভিতরে রক্তস্রাব হচ্ছে এরকম আশঙ্কায় প্রয়োগ করলে রক্তস্রাব শুষে নিতে সাহায্য করবে।
মস্তিষ্কের শোথঃ মস্তিষ্কে পানিজমা (হাইড্রোসেফেলাস) রোগে শিশুদের সামনের হাত দুটি মড়ার মত ঠান্ডা (উক্ত লক্ষণে উদরাময়ে- ব্রোমিয়াম)।
সন্নাসরোগঃ জ্ঞান হারায়, অসাড়ে মলমূত্র ত্যাগ করে। তরুন আক্রমণে ক্ষরিত রক্ত বন্ধ ও শোষণে যাহায্য করে। অন্য ঔষধের লক্ষণ না পাওয়া অবধি এর প্রয়োগ চলতে থাকবে। কয়েকদিন বা কয়েক সপ্তাহ ধরে এর কাজ হতে দেবে- এ্যালেন।
৩. সর্বাঙ্গে ক্ষতবৎ, খোঁড়াদের মত, থেৎলে যাওয়ার মত ব্যথাবেদনা, মনে হয় যেন তাকে পেটানো হয়েছে।
৪. স্নায়ুবিক, ব্যথাবেদনা সহ্য করতে পারে না- সারাদেহ স্পর্শকাতর হয়ে পড়ে (ক্যামো, কফিয়া, ইগ্নে)।
৫. বাত বা গিটেবাত, কেউ কাছে আসলে তার ছোঁয়া বা আঘাত লাগার ভীতি- এ লক্ষণে প্রযোজ্য।
আঘাত জনিতঃ
১. শরীরের কোন যন্ত্র বাহ্যিক আঘাতের কুফলে রোগ- তা যদি বহুদিন আগেও হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে। ২. যাদের সামান্য ছোটখাট আঘাতের অনুভূতি বহুদিন যাবৎ থেকে যায় বিশেষভাবে তাদের ক্ষেত্রে উপযোগী। পেশীতে আঘাত লেগে রোগ হলে উপযোগী।
৩. মাথায় ঝাঁকানি বা হাড়ে কোনভাবে চাপ লেগে, মানসিক আঘাত বা দেহে কোনভাবে আঘাত লেগে, দেহের নরম অংশে বা মাংসপেশীতে আঘাত লেগে তাতে ছিড়ে যায় না- এমন আঘাতে পূঁজ হতে দেয় না অথবা পূঁজরক্ত শুষে নিতে সাহায্য করে।
৪. উঁচুস্থান হতে পড়ে গিয়ে আঘাত, বিশেষতঃ যদি মাথায় ঝাকুনি লেগে অজ্ঞান হয়ে ও অসাড়ে মলমূত্র ত্যাগ করলে প্রযোজ্য।
৫. ভোঁতা কোন কিছুতে আঘাত লাগার পরবর্তী অবস্থায় (সিম্ফাইটাম), হাড় ভেঙ্গে গিয়ে তাতে প্রচুর পুঁজ জমলে (ক্যালেন্ডুলা)।
অচেতভাবঃ কোন কিছু প্রশ্ন করলে সঠিক উত্তর দেয় পরক্ষণেই অচেতন ও প্রলাপভাব ফিরে আসে। (কোন কিছু বলতে বলতে মাঝপথে ঘুমিয়ে পড়ে- ব্যাপ্টি)।
মেনিনজাইটিসঃ স্পাইনাল কর্ড ও ব্রেইন বা মস্তিষ্কের মেব্রেন বা পর্দার প্রদাহ। উঁচু স্থান হতে পড়ে গিয়ে, মাথায় ঝাকি লেগে, ইত্যাদি কারণে মস্তিষ্কের ভিতরে রক্তস্রাব হচ্ছে এরকম আশঙ্কায় প্রয়োগ করলে রক্তস্রাব শুষে নিতে সাহায্য করবে।
মস্তিষ্কের শোথঃ মস্তিষ্কে পানিজমা (হাইড্রোসেফেলাস) রোগে শিশুদের সামনের হাত দুটি মড়ার মত ঠান্ডা (উক্ত লক্ষণে উদরাময়ে- ব্রোমিয়াম)।
সন্নাসরোগঃ জ্ঞান হারায়, অসাড়ে মলমূত্র ত্যাগ করে। তরুন আক্রমণে ক্ষরিত রক্ত বন্ধ ও শোষণে যাহায্য করে। অন্য ঔষধের লক্ষণ না পাওয়া অবধি এর প্রয়োগ চলতে থাকবে। কয়েকদিন বা কয়েক সপ্তাহ ধরে এর কাজ হতে দেবে- এ্যালেন।
চোখঃ আঘাত বা দমকা কাশির জন্য চোখের সাদা অংশ ও রেটিনা হতে রক্তস্রাব, সেই সাথে রক্ত জমে থাকা (লিডাম, নাক্স)।
ফোড়াঃ একটার পর একটা ছোটছোট ভীষণ ব্যথাযুক্ত ফোড়া হবার প্রবণতা- ফোড়ায় ভীষণ ব্যথা থাকে (দলে দলে ছোটছোট ফোড়া হলে- সালফার)।
পক্ষাঘাতঃ বামদিকের পক্ষাঘাত, নাড়ী পূর্ণ ও সবল, নিশ্বাসে ঘড়ঘড় শব্দ, দীর্ঘশ্বাস সাথে বিড়বিড় করে প্রলাপ বকে।
কোষ্ঠবদ্ধতাঃ
১. রেকটাম বা মলদ্বার মলে ভর্তি অথচ মল বের হতে চায় না।
২. প্রষ্টেট গ্লা- বেড়ে বা জরায়ুমুখ উল্টে গিয়ে সরু ফিতার মত চ্যাপ্ট মল।
স্ত্রীজননাঙ্গঃ১. রেকটাম বা মলদ্বার মলে ভর্তি অথচ মল বের হতে চায় না।
২. প্রষ্টেট গ্লা- বেড়ে বা জরায়ুমুখ উল্টে গিয়ে সরু ফিতার মত চ্যাপ্ট মল।
১. পেলভিক বা বস্তিদেশে- থেৎলে যাওয়ার মত ব্যথা, সোজা হয়ে হাটতে পারে না।
২. প্রসবের পর জননাঙ্গে ক্ষতবোধ, প্রসবের পর রক্তস্রাব ও নানা উপসর্গে এ ঔষধ প্রয়োগে নিবারণ হয়।
৩.প্রসবের পর প্রস্রাব বন্ধ বা অসাড়ে প্রস্রাব এ ঔষধে সারায় (ওপি)।
বৃদ্ধি- বিশ্রামে, শুইলে, মদ খেলে।
উপশম- স্পর্শে ও নড়াচড়ায় (রাসটক্স, রুটা)।
সম্বন্ধঃ১. সমগুণ- থেতলানোর মত ব্যথায়- ব্যাপি, চায়না, ফাইটো, পাইরো, রাসটক্স, রুটা, স্ট্যাফি।
২. সাদ্রশ্য- মেরুদন্ডের আঘাতে হাইপেরিকামের সাথে তুলনিয়।
৩. অনুপুরক- একোনাইট, হাইপেরিকাম, রাসটক্স।
৪. পূর্ববর্তী- একোন, এপিস, হেমামে, ইপি ও ভিরেট্রাম এর পর ভাল কাজ করে।
৫. পরবর্তী- আর্নিকার পর এসিড সালফ সুন্দর কাজ করে।
শক্তি- ৩, ৩০, ২০০

0 Comments: